সেবা গ্রহীতাদের আস্থার জায়গা তেজগাঁওয়ের রেজিস্ট্রিশন কমপ্লেক্স

0

জমি কেনাবেচার বিষয় আসলেই একটা সময় মানুষ নানারকম হয়রানির শিকার হত। জমি রেজিস্ট্রি কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে জমি কেনাবেচা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এই অফিসে। জনসাধারনের ভোগান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর করতে বেশকিছু গঠনমূলক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়। জমি রেজিস্ট্রি কাজে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও ভোগান্তি দূর করে স্ব.চ্ছতা এসেছে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে রেজিস্ট্রিশন কমপ্লেক্সে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনা মহামারির সময়েও সরকারের রাজস্বখাতকে চাঙ্গা রেখেছে নিবন্ধন অধিদপ্তর। ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসসহ মোট ১০টি অফিস নিয়ে গঠিত তেজগাঁওয়ের রেজিস্ট্রিশন কমপ্লেক্স। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে জমি কেনাবেচা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এই অফিসে।

এতে করে এক দিকে মানুষ যেমন জরুরি প্রয়োজনে জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারছেন অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব খাতের আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেকারনে সারাদেশে জমি রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর তুলনায় সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় করে আসছে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়।
সেবাপ্রার্থীরা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে নিজেদের সেবা নিতে পারছেন। তেজগাঁওয়ে রেজিস্ট্রিশন কমপ্লেক্সে আগের তুলনায় দালালদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে এসেছে। ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয় জনবান্ধব করা ও অনিয়ম রুখে দেওয়াসহ বেশ কিছু উদ্যোগের কারণে রাজস্ব আদায়ে সফলতার মুখ দেখছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, জমির নিবন্ধন, দলিল উত্তোলন, নামজারিসহ জমিজামা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে সহজেই সেবা নিতে পারছেন আগ্রহীরা। সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রুটিনমাফিক কাজ অনুযায়ী নকলনবিশ, উম্মেদার ও পিওনরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করছেন। বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪ এর নিয়ম মেনে অফিসিয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সাব-রেজিস্ট্রাররাও।

দলিল চেক করার কাজে সাব-রেজিস্ট্রারদের ভূমিকা প্রশংসনীয় বলা যায়। সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এমন বাস্তবতাই প্রতীয়মান গোটা অফিসজুড়ে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন ম্যানুয়াল-২০১৪-এর অধ্যায়-২৬-এ উল্লেখ আছে যে, সহকারীগণ কর্তৃক দলিল পরীক্ষাকরণ কাঙ্খিত নয়, এই কাজটি অবশ্যই স্বয়ং নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত হবে। আর সেভাবেই সম্পাদিত হচ্ছে সার্বিক কার্যক্রম।

জমিজামা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ভুক্তভোগীরা আসলেই মিলছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সমাধান। জমি সংক্রান্ত কাজে আসা অনেকেই জানালেন, অনেক আগে একটা সময় সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দুর্নীতি ও অনিয়ম সম্পর্কে শুনেছিলাম তবে এখনকার বাস্তবতা পুরোটাই ভিন্ন। এখানে কাজটাই বড় কথা। সেবা গ্রহীতাদের সেবা দেয়াটাই এখানে মূখ্য। এখন আর কোনো কাজের জন্য ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয় না বলে জানান সেবা গ্রহীতারা।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.